নিজস্ব প্রতিবেদক,
ওই পোস্টের সঙ্গে এভারেস্ট একাডেমির প্যাডে লেখা একটি বিবৃতিও তুলে ধরেন মুসা।
তিনি বলেন, “২০১০ সালের ২৩ মে চীনের তীব্বত অংশ দিয়ে আমি এভারেস্ট চূড়ায় উঠি। আমি পরিবারের সাথে এ মুহূর্তে দেশের বাহিরে অবস্থান করছি। দেশে ফিরে এসে গণমাধ্যমের কাছে এভারেস্ট জয় করা নিয়ে আমার কাছে থাকা সমস্ত তথ্য উপাত্ত তুলে ধরা হবে।”
পারিবারিক কাজে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলেও উল্লেখ রয়েছে ওই পোস্টে।
সম্প্রতি এভারেস্টজয়ীদের নিয়ে প্রকাশিত নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং নেপাল মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশনা ‘নেপাল পর্বত’-এ মুসা ইব্রাহীমের নাম পাওয়া যায়নি।
এভারেস্টজয়ী
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুসা ইব্রাহীম দাবি করলেও তার এই দাবির সঙ্গে বাংলাদেশের
অনেকেই ভিন্নমত পোষণ করে আসছেন।
এই বিষয়টি নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলার মধ্যেই শনিবার বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তরের এক প্রতিবেদনে ‘নেপাল পর্বত’ এর তালিকায় মুসার নাম না থাকার বিষয়টি প্রকাশিত হয়।
এরপরপরই্ নেপালের লাংসিসা-রি পর্বতশৃঙ্গ জয় না করেই সনদ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন ওই অভিযানে মুসার সঙ্গে থাকা পর্বতারোহী মীর শামসুল আলম বা
এই বিষয়টি নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলার মধ্যেই শনিবার বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তরের এক প্রতিবেদনে ‘নেপাল পর্বত’ এর তালিকায় মুসার নাম না থাকার বিষয়টি প্রকাশিত হয়।
এরপরপরই্ নেপালের লাংসিসা-রি পর্বতশৃঙ্গ জয় না করেই সনদ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন ওই অভিযানে মুসার সঙ্গে থাকা পর্বতারোহী মীর শামসুল আলম বা

0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন