দলের

মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০১৪

৭০ উপজেলার ফলাফল: আ.লীগ ৪৯, বিএনপি ১২, জামায়াত ৩, অন্যান্য ৬


ঢাকা: শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত ৭৩টি উপজেলা নির্বাচনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭০টির বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন ৪৯টি উপজেলায়। আর বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন ১২টিতে। বিএনপির অন্যতম শরিক দল জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন ৩টিতে। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন ৬টিতে।

পঞ্চম ও শেষ পর্বে সোমবার দেশের ৩৫টি জেলার ৭৩টি উপজেলায় সকাল ৮টা থেকে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। দখল, বর্জন, জালিয়াতি, ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও সহিংসতার মধ্য দিয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।


আওয়ামী লীগ: ৪৯

১. ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে আশরাফ উদ্দীন বাদল। ২. কিশোরগঞ্জের অষ্ট্রগ্রামে শহিদুল ইসলাম জেমস। ৩. ফেনীর ছাগলনাইয়ায় মেজবাহুল হায়দার। ৪. রাঙামাটির রাজস্থলীতে উথিন সিন মারমা। ৫. নোয়াখালীর সুবর্ণচরে খায়রুল আলম। ৬. পাবনার বেড়ায় আব্দুল কাদের। ৭. কক্সবাজারের টেকনাফে জাফর আহমেদ। ৮. সাতক্ষীরার দেবহাটায় আব্দুল গণি। ৯. বরগুনার বামনায় সাইফুল ইসলাম। ১০. চুয়াডাঙ্গা সদরে আসাদুল হক। ১১. বরগুনার পাথরঘাটায় রফিকুল ইসলাম। ১২. পাবনা সদরে মোশাররফ হোসেন। ১৩. মৌলভীবাজারের জুড়িতে এমএ মুহিত। ১৪.  রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল ইসলাম। ১৫. জামালপুরের মাদারগঞ্জে ওবায়দুর রহমান। ১৬. বরগুনা সদরে আব্বাস হোসেন। ১৭. নোয়াখালীর হাতিয়ায় মাহবুব মোরশেদ। ১৮. টাঙ্গাইলের গোপালপুর ইউনুস ইসলাম তালুকদার। ১৯. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর মীর এনায়েত হোসেন মন্টু। ২০. চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে মো. শাহজাহান। ২১. লালমনিরহাট কালিগঞ্জে মাহবুবুজ্জামান। ২২. মৌলভীবাজারের রাজনগরে আকছির খান। ২৩. মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে মহিউদ্দীন আহমেদ। ২৪. মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়িতে কাজী ওয়াহিদ। ২৫. কুমিল্লার চান্দিনায় তপন বকশী। ২৬. সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আজাদ রহমান। ২৭. মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে ওসমান গণি তালুকদার। ২৮. সাতক্ষীরা সদরে আসাদুজ্জামান বাবু। ২৯. লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলতাফ হোসেন। ৩০. টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নজরুল ইসলাম খান। ৩১. লক্ষ্মীপুর সদরে একেএম সালেহ উদ্দীন টিপু। ৩২. সাতক্ষীরার তালায় সনৎ কুমার। ৩৩. চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মো. হেলাল উদ্দীন। ৩৪. সিলেটের বিয়ানীবাজারে বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান। ৩৫. লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে আব্দুল ওয়াহেদ। ৩৬. কুমিল্লার মুরাদনগরে সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম খসরু। ৩৭. নরসিংদীর মনোহরদীতে সাইফুল ইসলাম। ৩৯. পটুয়াখালির কলাপাড়ায় আব্দুল মোতালেব। ৪০. বরগুণার আমতলীতে দেলোয়ার হোসেন। ৪১. নারায়নগঞ্জের আড়াই হাজারে শাহজালাল মিয়া। ৪২. সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে মোহাম্মদ আলী। ৪৩. টাঙ্গাইল সদরে খোরশেদ আলম। ৪৪. ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সদরে জাহাঙ্গীর আলম। ৪৫. নীলফামারী ডোমারে আব্দুর রাজ্জাক বসুনিয়া। ৪৬. গাজীপুরের কালিগঞ্জে মোয়াজ্জেম হোসেন। ৪৭. লক্ষীপুরের রামগঞ্জে রুহুল আমীন। ৪৮. ময়মনসিংহের নান্দাইলে আব্দুল মালেক চৌধুরী। ৪৯. নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ শাজাহান ভূঁইয়া।

বিএনপি: ১২

১. কক্সবাজারের উখিয়ায় সরোয়ার জাহান চৌধুরী। ২. রাঙামাটির লংগদুতে তোফাজ্জল হোসেন। ৩. ময়মনসিংহের ত্রিশালে জয়নুল আবেদিন। ৪. সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে হারুন উর রশিদ। ৫. দিনাজপুরের হাকিমপুরে আকরাম হোসেন। ৬. দিনাজপুরের বিরলে বজলুর রশিদ। ৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে আবু আসিফ আহমেদ। ৮. দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আমিনুল ইসলাম। ৯. বগুড়া সদরে আলী আজগর হেনা। ১০. নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ আজহারুল ইসলাম মান্নান। ১১. নরসিংদী সদরে মঞ্জুর এলাহী ১২. গাজীপুরের শ্রীপুরে আব্দুল মোতালেব ।

জামায়াত: ৩

১. গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাজেদুর রহমান। ২. রাজশাহীর পবায় মকবুল হোসেন। ৩. কক্সবাজার সদরে বিএম রুহুল্লাহ রহিম।

অন্যান্য: ৬

১. গাইবান্ধার ফুলছড়িতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমান। ২. পটুয়াখালীর দশমিনায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন। ৩. কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী রফিকুল ইসলাম রিনু। ৪. খাগড়াছড়ির দিঘিনালায় ইউপিডিএফ প্রার্থী নব কমল চাকমা। ৫. রাঙামাটির বিলাইছড়িতে জনসংহতি প্রার্থী শুভ মঙ্গল চাকমা। ৬. সুনামগঞ্জের তাহেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল।

এদিকে কেন্দ্র দখল এবং এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে ১৯ উপজেলায় নির্বাচন বর্জন করেছে ১৯ দল সমর্থিত, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

এগুলো হচ্ছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, ফেনীর ছাগলনাইয়া, জামালপুরের মাদারগঞ্জ, বরগুনার বামনা ও আমতলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, ময়মনসিংহের গফরগাঁও, চুয়াডাঙ্গার সদর ও আলমডাঙ্গা, পাবনার তারাবুনিয়া, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, কুমিল্লার চান্দিনা, সাতক্ষীরার সদর, তালা, ও দেবহাটা, লক্ষ্মীপুর সদর ও রামগঞ্জ এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন