স্পোর্টস ডেস্ক
রঙ্গনা হেরাথের নৈপুণ্যে দারুণ এক জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে পৌঁছেছে শ্রীলঙ্কা। মাত্র ১২০ রানের লক্ষ্য দিয়েও নিউ জিল্যান্ডকে ৫৯ রানে হারিয়েছে তারা
এই জয়ে শেষ চারের পাশাপাশি গ্রুপ শ্রেষ্ঠত্বও নিশ্চিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার। আগেই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করা দক্ষিণ আফ্রিকা রয়েছে দুই নম্বরে। আর আশা জাগিয়েও ‘কোয়ার্টার-ফাইনাল’ পরিণত হওয়া ম্যাচটিতে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল তারা।
সোমবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভার ২ বলে ১১৯ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ১৫ ওভার ৩ বলে ৬০ রানে থেমে যায় নিউ জিল্যান্ড।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কেন উইলিয়ামসন ছাড়া আর কেউ দায়িত্ব নিয়ে খেলতে না পারায় লক্ষ্যের ধারাকাছেও যেতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড।
দলে ফেরা রঙ্গনা হেরাথের প্রথম স্পেলেই বিপদে পড়ে নিউ জিল্যান্ড। ৩ ওভারে ২ রান দিয়ে তিনি বিদায় করেন অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, রস টেইলর, জেমস নিশাম ও লুক রনকিকে। প্রথম তিন জন কোনো রান করতে পারেননি।
ফিল্ডিং করার সময় আঙ্গুলে চোট পাওয়ায় ব্যাট করতে পারেননি কোরি অ্যান্ডারসন। তার অনুপস্থিতি বিপদ আরো বাড়ায়। এক সময়ে নিউ জিল্যান্ডের দলের স্কোর দাঁড়ায় ৩৩/৬।
তবুও প্রায় অসম্ভব এক স্বপ্ন দেখছিল নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু দলীয় ৬০ রানে অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে উইলিয়ামসনের রান-আউট সেই স্বপ্ন শেষ করে দেয়। তিনি ছাড়া আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাত্র ৫, এসেছে আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিলের ব্যাট থেকে।
পরের বলেই ট্রেন্ট বোল্টকে মাহেলা জয়ার্ধনের ক্যাচে পরিণত করে পঞ্চম উইকেটটি নেন হেরাথ।
এটি নিউ জিল্যান্ডের সর্বনিম্ন রান। এর আগের রেকর্ড ছিল ৮০ রানের। ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই রান করেছিল তারা।
মাত্র ৩ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে অনন্য এক রেকর্ড গড়লেন বাঁহাতি এই স্পিনার হেরাথ। তার চেয়ে কম রানে পাঁচ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব আর কারো নেই। আগের রেকর্ডটি ছিল পাকিস্তানের উমর গুলের। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষেই ৬ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
চমৎকার এই বোলিংয়ে ম্যাচের সেরার পুরস্কারে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না হেরাথের।
এর আগে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কারও। ট্রেন্ট বোল্টের মারাত্মক বোলিংয়ে ৩৫ রানেই বিদায় নেন কৌশল পেরেরা, তিলকরত্নে দিলশান ও কুমার সাঙ্গাকারা।
মাহেলা জয়াবর্ধনের ব্যাটে লড়াইয়ের পুঁজি গড়ার স্বপ্ন দেখছিল দুইবারের রানার্সআপরা। দলকে ৪ উইকেটে ৮১ রানের স্বস্তিকর জায়গায় পৌঁছেও দিয়েছিলেন জয়াবর্ধনে।
কিন্তু ১১ রানের ব্যবধানে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, জয়াবর্ধনে (২৫) ও নুয়ান কুলাসেকারার বিদায়ে আবারো চাপে পড়ে তারা।
৩ রানে শেষ চার উইকেট হারালেও থিসারা পেরেরা ও সচিত্রা সেনানায়েকে দলকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেন।
নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে তিনটি করে উইকেট নেন বোল্ট ও জেমস নিশাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা: ১৯. ২ ওভারে ১১৯ (কৌশল ১৬, দিলশান ৮, জয়াবর্ধনে ২৫, সাঙ্গাকারা ৪, থিরিমান্নে ২০, ম্যাথিউস ৬, থিসারা ১৬, কুলাসেকারা ০, সেনানায়েকে ১৭, হেরাথ ১*, মালিঙ্গা ০; বোল্ট ৩/২০, নিশাম ৩/২২, ম্যাকক্লেনাগান ২/২৪, নাথান ১/৮, মিলস ১/৩০)
নিউ জিল্যান্ড: ১৫.৩ ওভারে ৬০ (গাপটিল ৫, উইলিয়ামসন ৪২, ব্রেন্ডন ০, টেইলর ০, নিশাম ০, রনকি ২, নাথান ২, মিলস ৪, বোল্ট ৩, ম্যাকক্লেনাগান ০*, অ্যান্ডারসন-অনুপস্থিত; হেরাথ ৫/৩, সেনানায়েকে ২/৩)
ম্যাচ সেরা: রঙ্গনা হেরাথ।
সোমবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভার ২ বলে ১১৯ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ১৫ ওভার ৩ বলে ৬০ রানে থেমে যায় নিউ জিল্যান্ড।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কেন উইলিয়ামসন ছাড়া আর কেউ দায়িত্ব নিয়ে খেলতে না পারায় লক্ষ্যের ধারাকাছেও যেতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড।
দলে ফেরা রঙ্গনা হেরাথের প্রথম স্পেলেই বিপদে পড়ে নিউ জিল্যান্ড। ৩ ওভারে ২ রান দিয়ে তিনি বিদায় করেন অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, রস টেইলর, জেমস নিশাম ও লুক রনকিকে। প্রথম তিন জন কোনো রান করতে পারেননি।
ফিল্ডিং করার সময় আঙ্গুলে চোট পাওয়ায় ব্যাট করতে পারেননি কোরি অ্যান্ডারসন। তার অনুপস্থিতি বিপদ আরো বাড়ায়। এক সময়ে নিউ জিল্যান্ডের দলের স্কোর দাঁড়ায় ৩৩/৬।
তবুও প্রায় অসম্ভব এক স্বপ্ন দেখছিল নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু দলীয় ৬০ রানে অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে উইলিয়ামসনের রান-আউট সেই স্বপ্ন শেষ করে দেয়। তিনি ছাড়া আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাত্র ৫, এসেছে আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিলের ব্যাট থেকে।
পরের বলেই ট্রেন্ট বোল্টকে মাহেলা জয়ার্ধনের ক্যাচে পরিণত করে পঞ্চম উইকেটটি নেন হেরাথ।
এটি নিউ জিল্যান্ডের সর্বনিম্ন রান। এর আগের রেকর্ড ছিল ৮০ রানের। ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই রান করেছিল তারা।
মাত্র ৩ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে অনন্য এক রেকর্ড গড়লেন বাঁহাতি এই স্পিনার হেরাথ। তার চেয়ে কম রানে পাঁচ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব আর কারো নেই। আগের রেকর্ডটি ছিল পাকিস্তানের উমর গুলের। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষেই ৬ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
চমৎকার এই বোলিংয়ে ম্যাচের সেরার পুরস্কারে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না হেরাথের।
এর আগে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কারও। ট্রেন্ট বোল্টের মারাত্মক বোলিংয়ে ৩৫ রানেই বিদায় নেন কৌশল পেরেরা, তিলকরত্নে দিলশান ও কুমার সাঙ্গাকারা।
মাহেলা জয়াবর্ধনের ব্যাটে লড়াইয়ের পুঁজি গড়ার স্বপ্ন দেখছিল দুইবারের রানার্সআপরা। দলকে ৪ উইকেটে ৮১ রানের স্বস্তিকর জায়গায় পৌঁছেও দিয়েছিলেন জয়াবর্ধনে।
কিন্তু ১১ রানের ব্যবধানে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, জয়াবর্ধনে (২৫) ও নুয়ান কুলাসেকারার বিদায়ে আবারো চাপে পড়ে তারা।
৩ রানে শেষ চার উইকেট হারালেও থিসারা পেরেরা ও সচিত্রা সেনানায়েকে দলকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেন।
নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে তিনটি করে উইকেট নেন বোল্ট ও জেমস নিশাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা: ১৯. ২ ওভারে ১১৯ (কৌশল ১৬, দিলশান ৮, জয়াবর্ধনে ২৫, সাঙ্গাকারা ৪, থিরিমান্নে ২০, ম্যাথিউস ৬, থিসারা ১৬, কুলাসেকারা ০, সেনানায়েকে ১৭, হেরাথ ১*, মালিঙ্গা ০; বোল্ট ৩/২০, নিশাম ৩/২২, ম্যাকক্লেনাগান ২/২৪, নাথান ১/৮, মিলস ১/৩০)
নিউ জিল্যান্ড: ১৫.৩ ওভারে ৬০ (গাপটিল ৫, উইলিয়ামসন ৪২, ব্রেন্ডন ০, টেইলর ০, নিশাম ০, রনকি ২, নাথান ২, মিলস ৪, বোল্ট ৩, ম্যাকক্লেনাগান ০*, অ্যান্ডারসন-অনুপস্থিত; হেরাথ ৫/৩, সেনানায়েকে ২/৩)
ম্যাচ সেরা: রঙ্গনা হেরাথ।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন