নিজস্ব প্রতিবেদক
উপজেলায় পঞ্চম পর্বের ভোটে এই পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফলের অধিকাংশে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা
সোমবার দিনভর ভোটগ্রহণের পর রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত যে ৩২টির ফলাফল পাওয়া গেছে, তার ২২টিতে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন ক্ষমতাসীন দল সমর্থিতরা।
বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ৮টি উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর একজন এবং ইউপিডিএফের একজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে।
পঞ্চম পর্বে ৭৩টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হয়। এর মধ্যে ৫ উপজেলার ১৯ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়েছে অনিয়মের কারণে।
কেন্দ্র দখল করে ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এজেন্টদের বের করে দিয়ে ব্যালট পেপারে সিল মারার অভিযোগ ও কয়েকটি প্রার্থীদের ভোটবর্জনের মধ্য দিয়ে সোমবার ভোটগ্রহণ চলে।
নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে চুয়াডাঙ্গার সদর ও আলমডাঙ্গা এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে উপজেলায় মঙ্গলবার আধাবেলা হরতাল ডেকেছে দলটি।
পঞ্চম পর্ব নিয়ে দেশের ৪৮৭ উপজেলার ৪৫৯টিতে নির্বাচন শেষ হয়েছে।
আগের চার পর্ব মিলিয়ে পৌনে চারশ’ উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগের বিজয়ী চেয়ারম্যানের সংখ্যা ১৭৭ জন।
বিএনপির চেয়ারম্যানের সংখ্যা ১৫০ জন। তবে জামায়াতে ইসলামী ও এলডিপি মিলিয়ে ১৯ দলের চেয়ারম্যানের সংখ্যা ১৮৩ জন।
এছাড়া জাতীয় পার্টি ৩, জেএসএস ৬, ইউপিডিএফ ৩, নির্দলীয় ৫ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচনে প্রথম থেকে তৃতীয় পর্ব পর্যন্ত ভোটের হার টানা বাড়লেও তাতে ছেদ ঘটেছে চতুর্থ পর্বে।
প্রথম পর্বে ৬২ দশমিক ৪৪ শতাংশ, দ্বিতীয় পর্বে ৬৩ দশমিক ৩১ শতাংশ, তৃতীয় পর্বে ৬৩ দশমিক ৫২ শতাংশ ও চতুর্থ পর্বে ৫৬ দশমিক ১২ শতাংশ ভোট পড়ে।
চার পর্ব মিলিয়ে এককভাবে আওয়ামী লীগ এগিয়ে গেলেও জোটগতভাবে এখনো এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। জামায়াতে ইসলামী ও এলডিপি মিলিয়ে ১৯ দলের চেয়ারম্যানের সংখ্যা ১৮৩ জন।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন