দলের

রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৪

ঝগড়ার পরও প্রেমটা থাকুক মিষ্টি, জেনে নিন ৪টি অব্যর্থ কৌশল!



দাম্পত্য জীবন বলুন আর প্রেমিক প্রেমিকার ভালোবাসার সম্পর্ক বলুন, একটু আধটু ঝগড়াঝাঁটি তো হয়েই থাকে। কথায় বলে ঝগড়ায় প্রেম বাড়ে। আসলেই কথাটি বেশ বড় একটি সত্যি। কারণ ঝগড়া শেষে দুজনেই দুজনের মূল্য বেশ ভালো করেই বুঝতে পারেন। দুই দিন কথা বলা বন্ধ থাকলে আপনাআপনিই রাগ ক্ষোভ সব চলে যায়। মনের ভেতরের আবেগ তখন আরও ভালো ভাবে প্রকাশ পায়। গাঢ় হয় সম্পর্ক।
অনেক দম্পতি এবং প্রেমিক-প্রেমিকা যুগল রয়েছেন যারা ঝগড়ার পর ইগো সমস্যায় ভোগেন। ঠিকভাবে সব কিছু স্বীকার করে নিয়ে সম্পর্কের মধুরতা আগের মতো ফিরিয়ে আনতে পারেন না। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল ঝগড়ার পর সম্পর্কে আগের মতো মধুরতা ফিরিয়ে আনার ৪ টি দারুণ কৌশল।

সরি বলুন

যদি আপনি মনে করে থাকেন ঝগড়ার সময় ভুলটি আপনার ছিল তবে সরাসরি সরি বলুন। আপনার এই ছোট্ট স্বীকার্যতা সম্পর্কে মধুরতা আনতে বেশ কার্যকর হবে। আপনার সঙ্গী বুঝতে পারবেন আপনি মন থেকেই ঝগড়াটির জন্য অপরাধ বোধ করছেন।

সঙ্গীকে খুশি করার চেষ্টা করুন

সঙ্গীর পছন্দের কোনো কিছু করুন। তার জন্য সুন্দর একটি গিফট কিনে আনুন। অথবা আর কিছু না হোক তার পছন্দের ফুল দিয়েই তাকে খুশি করার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার সঙ্গী বুঝতে পারবেন আপনার কাছে আপনার সঙ্গীর গুরুত্ব অনেক বেশি। এতে তিনিও খুশি থাকবেন এবং ঝগড়ার পরের গুমোট ভাবও দূর হয়ে যাবে।

ছোট্ট একটি চিরকুট লিখুন

ঝগড়া শেষে কথা বলা বন্ধ? কোনো সমস্যাই নয়। তার জন্য লিখতে থাকুন ছোট্ট ছোট্ট চিরকুট। ভালোবাসার কথা, আপনার মনের কথা কিংবা তার প্রতি প্রশংসা সূচক ছোট্ট ছোট্ট বাক্যের কথা মালা সাজিয়ে লিখতে থাকুন ছোট্ট কিছু চিরকুট। আপনার সঙ্গীর মুখে ঠিকই হাসি ফুটবে।

সারপ্রাইজ দিন সঙ্গীকে

ঝগড়ার পরের গুমোট ভাবটি কাটানোর সব চাইতে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হচ্ছে সঙ্গীকে সারপ্রাইজ দেয়া। এটি খুব সহজ একটু উপায় সঙ্গীর মুখে হাসি ফুটানোর। মেয়েরা চাইলে একটি ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের ব্যবস্থা করে ফেলতে পারেন অথবা এমন কোনো কিছু যাতে সারপ্রাইজ হয়ে যান আপনার সঙ্গী। আর ছেলেরা চাইলে নিজের সঙ্গিনীর জন্য কিছু রান্না করে তাকে সারপ্রাইজ দিতে পারেন। এমন কিছু করুন যাতে সঙ্গী খুশি হয়ে যান।

    Read more »

    গণজাগরণ মঞ্চের রাজনীতি, সংঘাত ও একটি ত্রিভুজ প্রেমের গল্প!


    শ্রীবরদী নিউজ 24 .কম:
    যে সাধারণ মানুষের আবেগ ও স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহনে গণজাগরণ মঞ্চের সৃষ্টি হয়েছিলো সেই মানুষদের হয়ে রাজনীতি করার যোগ্যতা গণজাগরণ মঞ্চের নেই এবং তারা যে মানুষের রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব করে না, সেটা আমি প্রায় ১১ মাস আগে বলেছিলাম যখন তারা রানা প্লাজায় ‘উদ্ধার অভিযান ফটো সেশন’ করতে এসেছিলো।
    রাজনীতি তো মানুষের কথা বলবে। শেয়ার বাজারে পুঁজি হারানো মানুষের কথা বলবে, গার্মেন্টস শ্রমিকের অধিকারের কথা বলবে, পাঁচ বছর পর একদিনের রাজা ভোটারের ভোটের অধিকারের কথা বলবে, বলবে দেশের তেল-গ্যাস-বন্দর লুট হওয়ার কথা, রামপাল, টিপাইমুখ, সীমান্ত হত্যা, অভিন্ন নদীর পানির হিস্যা, ধার্মিকের ধর্ম পালনের আর অধার্মিকের ধর্ম না পালন করার অধিকারের কথা।
    গণজাগরণ মঞ্চ একটি বিশাল জন সমর্থন নিয়ে এই রাজনীতির কথাগুলো বলে দেশের রাজনীতিকে পাল্টে দিতে পারতো। কিন্তু তা না করে শাহবাগে প্রতিবাদী মানুষের জমায়েতকে এই মঞ্চ স্বৈরাচারী কায়দায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় একটি মাত্র চেতনা নাৎসী দাবীতে আটকে রেখেছিলো দিনের পর দিন। দাবী একটাই, ‘ফাঁসি’! অন্য কোন দাবী মানেই ‘ছাগু’! বাংলা পরীক্ষা দিতে হবে দিনের পর দিন মাসের পর মাস; অন্য কোন পরীক্ষার দিনক্ষণ জানতে চাওয়ার মানে হচ্ছে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি, রাজাকারের তালিকায় নাম লেখানো!
    এই মঞ্চের আড়ালে টিকফা চুক্তিতে লুট হয়ে গেছে আমাদের ভোক্তা অধিকার, রামপালে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার চুক্তির মাধ্যমে চুড়ান্ত করা হয়েছে সুন্দরবন ধ্বংশের নীল নকশা। এমন কী তাজরীন আর রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায় বিচারের আর্তনাদকেও টুটি চেপে স্তব্ধ করে রেখেছিলো এই চেতনা নাৎসী মঞ্চ।
    এখানেই শেষ নয়। এই গণজাগরণ মঞ্চ থেকেই বিরোধী মিডিয়া বন্ধ করে বিরোধী কন্ঠস্বরকে রূদ্ধ করার এবং বিনা বিচারে হত্যাকে সমর্থন করে একটি চেতনা নাৎসী জনমত তৈরী করে দেয়া হয়েছিলো। কাউকে ‘ছাগু’ প্রমান করতে পারলেই তাকে বিনা বিচারে হত্যা করা বৈধ, বৈধ তার কণ্ঠস্বর চেপে ধরে জেলে পাঠিয়ে দেয়া বা গুম করে দেয়া। এই চেতনা নাৎসী জনমতের কারণেই রাষ্ট্র বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত প্রতিবাদী মিছিলে সরাসরি গুলি করে মানুষ হত্যার ম্যান্ডেট পেয়েছিলো এবং নির্বিচারে প্রতিবাদী মানুষকে হত্যা করা শুরু করেছিলো; যে ধারা এখনো বর্তমান। এই মঞ্চের ফ্যাসিবাদী দাবী রক্ষার্থেই সরকার বন্ধ করে দিয়েছে ‘আমার দেশ’, ‘দিগন্ত টিভি’, ‘ইসলামী টিভি’সহ অনেক গণমাধ্যম এবং জেলে পাঠানো হয়েছে মাহামুদুর রহমানের মত সম্পাদক ও আদিলুর রহমান শুভ্রর মত মানবাধিকার কর্মীকে।
    জনগণের দাবীকে টুটি চেপে ধরে যে গণজাগরণ মঞ্চ রাষ্ট্রের সমান্তরাল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলো, চাইলেই যারা জাতীয় পতাকা উঠানো-নামানোর এবং শপথ করিয়ে মানুষকে হেদায়েত করতে পারতো, তা মাত্র এক বছরের মাথায় এখন আর নেই! এখন তাদেরকে সরকারী দলের অঙ্গ সংগঠনের কর্মী এবং একদা প্রহরী পুলিশের সংঘাতে জড়িয়ে হেনস্তা হতে হচ্ছে!
    এই হেনস্তা হবার ঘটনায় বিভিন্ন জন বিভিন্ন অনুমান ও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। যার মধ্যে একটি অনুমান হচ্ছে গণজাগরণ মঞ্চ সরকারী দমন নিপীড়নের শিকার হয়ে মানুষের সহানুভূতি অর্জন করতে চাচ্ছে এবং ভারতের ‘আম আদমী পার্টি’র অনুরূপ একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চাচ্ছে।
    গণজাগরণ মঞ্চকে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ভারত পন্থী মিডিয়াগুলোর যে একটি দুর্দান্ত প্রচেষ্টা আছে, সেটা ৫ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে প্রকাশিক দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠা দেখলে বোঝা যায়। যে পত্রিকাটি পুলিশের নিয়মিত ট্রিগার হ্যাপী আচরণ বা ক্রস ফায়ারে সরকার বিরোধী রাজনীতিবিদদের হত্যাকাণ্ডের খবর ছাপে না, তারা সামান্য পুলিশি টানা হেঁচড়াকে তিন কলামে প্রায় সিকি পৃষ্ঠা জুড়ে কাভারেজ দিয়েছে।
    বর্তমানে ভারত রাষ্ট্রটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিলেও তারা ক্ষমতাসীন দলটির অজনপ্রিয়তায় বিকল্প রাজনৈতিক শক্তিকে খুঁজছে, যারা ভারতের মিত্র হিসেবে বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারবে। শুরু থেকেই গণজাগরণ মঞ্চের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভারত তাই এখন আম আদমী পার্টির স্টাইলে এদেরকে রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে।
    লক্ষ্য করুন, গণজাগরণ মঞ্চ কিন্তু আজ পর্যন্ত টিপাইমুখ, রামপাল, সীমান্ত হত্যা, তিস্তাসহ বাংলাদেশের নদীগুলো থেকে ভারতের পানি প্রত্যাহার বিষয়ে টু শব্দটি করে নাই। আর ভারতের পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ থাকলে মঞ্চের অন্যতম সংগঠক বাপ্পাদিত্য বসু কী ভাষায় ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছিলো তা মনে করার চেষ্টা করুন।
    রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ বরাবরই মানুষকে বোকা বানিয়ে সারপ্রাইজ দিতে পছন্দ করে। ৯১ সালে এরশাদকে জেলে পাঠানোর দাবী করে ৯৬ সালে এরশাদের সাথে জোট করা আর ৯৩ সালে গোলাম আযমকে জেলে পাঠানোর দাবী করে ৯৪ সালে জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোট করা এর অন্যতম প্রমাণ। সে কারণে গণজাগরণ মঞ্চের সাথে সরকারের এই সংঘাত যদি ভারতের পরিকল্পিত ছকে নতুন গৃহপালিত বিরোধী দল সৃষ্টির জন্য করা হয়ে থাকে তাহলে অবাক হবার কিছুই থাকবে না।
    এ কারণেই শিরোনামে লিখেছি গণজাগরণ মঞ্চ ও সরকারের সংঘাতের মধ্যে একটি ত্রিভুজ প্রেমের গল্প আছে। আর সেই গল্পটির বিষয়বস্তু হচ্ছে প্রথম পক্ষ ভারতের ভালোবাসার দাবীদার দ্বিতীয় ও তৃতীয় পক্ষ আওয়ামী লীগ এবং গণজাগরণ মঞ্চের মধ্যে সংঘাত (পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত)।
    অনেকেই কৌতুহলী হয়ে আছেন জাফর ইকবাল, শাহরিয়ার কবির, নাসিরউদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, ড. আনোয়ার হোসেনরা এখন কোন পক্ষ নেন সেটা দেখতে। উনারা সবাই সেফ সাইডে খেলেন। যদি মিডিয়ার হাইপ তুলে আসলেই গণজাগরণ মঞ্চকে একটি রাজনৈতিক প্লাটফরম হিসেবে গড়ে তোলা যায় তাহলে উনারা মঞ্চের পক্ষ নিয়ে গৃহপালিত বিরোধী দলীয় নেতা বনে যাবেন। যদিও মিডিয়ায় হাইপ তুলে সেলিব্রেটি তৈরী করা গেলেও এখনো পর্যন্ত কোন রাজনৈতিক নেতা তৈরী করতে পারার দৃষ্টান্ত নেই। সেই ক্ষেত্রে জাফর স্যাররা আপাতত নিরপেক্ষ থেকে আকাশের তারা গুনবেন বলেই মনে হচ্ছে।

      Read more »

      নিজের শরীরের যে অঙ্গ গুলোর কথা আপনি মোটেও জানেন না!


      মানুষের শরীর এক রহস্যময় সৃষ্টি। উন্নত প্রযুক্তির এই যুগে আমরা ভেবে থাকি নিজেদের শরীরের ব্যাপারে আমরা সব কিছুই জানি। কিন্তু সেটা সত্যি না মোটেই। এখনও বিজ্ঞানীরা মানুষের শরীরের ব্যাপারে অদ্ভুত অদ্ভুত সব তথ্য বের করছেন। আমাদের অতি পরিচিত এই শরীর যে আসলে কতটা অদ্ভুত আর অজানা, ছোটখাটো কিছু অঙ্গের বর্ণনা শুনলেই তা বোঝা যায়। যেমন, আপনি কি জানেন আপনার ওপরের ঠোঁটের মাঝে যে একটি ভাঁজ, তারও একটি নাম আছে? এমন আরও কতগুলো অজানা অঙ্গের ফিরিস্তি শুনে নিন এখনি।

      হাঁটুর মাঝে কিছু একটা

      শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের দেহ কাটাছেঁড়া করার পরেও অনেক কিছু বিজ্ঞানীদের অগোচরে থেকে গেছে। মাত্র গত নভেম্বরে আবিষ্কৃত হয়েছে মানুষের হাঁটুতে নতুন একটি লিগামেন্ট। ১৮৭৯ সালে এই লিগামেন্টের উপস্থিতির কথা ধারনা করা হয় কিন্তু তখন এর অস্তিত্ব প্রমাণ করা সম্ভব হয় নি।

      দুয়া’র স্তর

      এমন আর একটি নতুন আবিষ্কৃত অঙ্গ হলো মানুষের চোখের কর্নিয়ার ভেতরে থাকা দুয়া’স লেয়ার। চোখের ভেতরে থাকা মাত্র ১৫ মাইক্রন পুরু দৃঢ় এই স্তর চোখের কোনো জটিলতা বা রোগের ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখে কিনা, তা জানার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

      অতিরিক্ত পাঁজরের হাড়

      মানুষের শরীরে একেক দিকে ১২ টা করে পাঁজরের হাড় থাকে। কিন্তু কিছু কিছু মানুষের থাকতে পারে একটি অতিরিক্ত পাঁজরের হাড় এবং এর থেকে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই অতিরিক্ত হাড়টিকে বলা হয় সার্ভিক্যাল রইব এবং ০.০৫ থেকে ৩ শতাংশ মানুষের মাঝে এটি দেখা যায়। কলারবোনের ওপরে কাঁধের কাছে এই হাড় জন্মে থাকে। এতই বেশিরভাগ সময়েই পুরোপুরিভাবে গঠিত হয় না বরং একটি টিস্যুর স্তর হিসেবে থাকে। কাছাকাছি স্থাপিত রক্তনালিকা অথবা স্নায়ু চাপ দিয়ে ধ্বংস করে ফেলতে পারে এই হাড়। তখন ঘাড়ে ব্যাথা বা রক্ত জমাট বেঁধে থাকার উপসর্গ দেখা যায়।

      কান নাড়ানোর পেশি

      কুকুর এবং বিড়াল যেভাবে কান নাড়ায় কিছু মানুষও কিন্তু সেভাবে কান নাড়াতে পারে! একগুচ্ছ পেশি এর জন্য দায়ী। আমাদের সবার কানেই এই পেশি থাকে কিন্তু সবাই তা ব্যবহার করে কান নাড়াতে পারে না। মাত্র ১৫ শতাংশ মানুষ তা পারে।

      কিউটিকল

      আমাদের হাতের আঙ্গুল এবং নখের সংযোগস্থলে থাকা এই ত্বকের স্তর মনে হতে পারে শুধু শুধুই আছে। কিন্তু শরীরে এর অনেক বড় উপকারিতা আছে। শরীরে ময়লা এবং ব্যাকটেরিয়া ঢুকতে বাধা প্রদান করে থাকে এই ত্বকের স্তর।

      ভাসমান হাইঅয়েড হাড়

      মানুষের মোটামুটি সব হাড়ই অন্য হাড়গুলোর সাথে যুক্তও, তাই না। কিন্তু এমন একটি হাড় আছে যা অন্য কোনো হাড়ের সাথে যুক্ত নয়। এটাই হলো ঘোড়ার খুরের মত আকৃতির হাইঅয়েড হাড়, যা আমাদের কথা বলতে সাহায্য করে।

      টেইলবোন

      আমাদের মেরুদণ্ডের একেবারে শেষের হাড় টেইলবোন। কশেরুকা একটির সাথে আরেকটি মিলে তৈরি করে টেইলবোন। অনেক সময়ে এই টেইলবোন বর্ধিত হয়ে আসলেই লেজের মত একটি অংশ তৈরি করতে পারে। এখন তা চিকিৎসার মাধ্যমে অপসারণ করা যায়। কিন্তু প্রাচীনকালে তাকে শয়তানের সংযোগ হিসেবে ধরা হত এমব মা ও শিশু উভয়কেই মেরে ফেলা হত।

      উধাও হয়ে যাওয়া হাড়

      ছোটবেলায় আপনার শরীরে যত হাড় ছিলো, বড় হয়ে তা কমে যায়। না, ঠাট্টা করে বলা হচ্ছে না। আমরা জীবন শুরু করি ৩৫০ টি হাড় নিয়ে বড় হতে হতে কিছু হাড় একসাথে মিলে যায়। ফলে আমরা প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে মাত্র ২০৬ টা হাড় নিয়ে বেচে থাকি।

      নতুন করে জন্ম নেওয়া পাকস্থলী

      এটা বলা যেতে পারে যে, আমাদের পাকস্থলী প্রতি ৩/৪ দিন পর পর নতুন করে তৈরি হয়। অবাক হচ্ছেন? আমাদের পাকস্থলীর দেয়াল প্রতিনিয়ত নতুন কোষ দিয়ে তৈরি হতে থাকে যাতে নিজের এসিডে নিজেই গলে না যায়।

      ফিলট্রাম

      আপনার ওপরের ঠোঁটের দিকে লক্ষ্য করুন তো। ঠোঁটের মাঝে একটি ভাঁজ লক্ষ্য করতে পারছেন? একেই বলে ফিলট্রাম। কিছু কিছু প্রাণী একে ব্যবহার করে নাক ভেজা রাখার জন্য। কিন্তু মানুষের শরীরে এক কোনো কাজ আসলেই নেই। তবে এই ঠোঁটের অস্বাভাবিক গঠন থেকে বিভিন্ন রোগের উপসর্গ বোঝা যায় এমনকি অটিজম জাতীয় রোগের সাথেও এর সংযোগ পাওয়া যায়।

        Read more »

        ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকা


        স্পোর্টস ডেক্স:
        অবশেষে টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল শ্রীলংকা। আজ ফাইনালে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ক্রিকেটের নতুন সংস্করণ টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল সিংহলীরা।
        মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ১৩০ রান সংগ্রহ করেছিল ভারত। জবাবে ১৩ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় লাসিথ মালিঙ্গার দল।
        ক্রিকেটের হোম অব গ্রাউন্ড মিরপুরে ভারতের ছুড়ে দেয়া ১৩১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৫ রানেই প্রথম উইকেট হারিয়ে ফেলে শ্রীলংকা। তবে কুশাল পেরেরা সাজঘরে ফিরে গেলেও অভিজ্ঞ দুই সৈনিক মাহেলা জয়াবর্ধনে (২৪) ও কুমার সাঙ্গাকারা দলকে টেনে তুলার দায়িত্ব নেন (৫২*)।
        তাদের আগে তিলকারত্নে দিলশান ও পরে লাহিরু তিরিমান্নে আউট হলেও থিসারা পেরেরার সঙ্গে জয়ের স্বাদ নিয়েই মাঠ ছাড়েন কুমার সাঙ্গাকারা। এটি ছিল লংকান ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি মাহেলা জয়াবর্ধনে ও কুমার সাঙ্গাকারার টি-২০ ক্রিকেটের শেষ ম্যাচ। আর শেষ ম্যাচে দুজনই আলো ছড়িয়েছেন। বিশেষ করে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা কুমার সাঙ্গাকারা তো প্রমাণ করলেন আসলেই যাদু জানে তার ব্যাট।
        শেষ পর্যন্ত থিসারা পেরেরা ও কুমার সাঙ্গকারার অবিচ্ছিন্ন (৫৬) জুটির উপর ভিত্তি করেই ১৭.৫ ওভারে ১৩৪ রান তুলে ফেলে শ্রীলংকা। বিনিময়ে হারাতে হয় মাত্র ৪ উইকেট।
        এর আগে টসে হেরে বিরাট কোহলির (৫৮ বলে ৭৭ রান) দৃঢ় ব্যাটিংয়ে লজাকু পুঁজি পায় ভারত। ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩০ রান করেছিল ২০০৭ সালের চ্যাম্পিয়নরা। ৫ চার ও ৪টি ছয় হাঁকানো কোহলি ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হয়েছেন। বিরাট কোহলি ৪৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেছিলেন।
        অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং ১১ রানে আউট হয়েছেন। ২৯ রান করে আউট হয়ে যান রোহিত। এর আগে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের বলে বোল্ড হয়ে গিয়েছিলেন আজিঙ্কা রাহানে(৩)।
        শ্রীলংকার কুলাসেকারা, ম্যাথুস ও হেরাথ প্রত্যেকেই ১টি করে উইকেট লাভ করেন।
        তবে রবিবার হঠাৎ বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৪০ মিনিট পরে শুরু হয় ম্যাচটি। ৭টা ১০ মিনিটে রাখা হয়েছিল টসভাগ্য। ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল ৭টায়। তবে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার কারণে কোন ওভার কাটা হয়নি

        Read more »

        শ্রীবরদীতে পত্রিকা এজেন্টের মাতৃ বিয়োগ

        শ্রীবরদী প্রতিনিধি
        শ্রীবরদীতে পত্রিকার এজেন্ট ইদু মিয়ার মা মোছাঃ গোলেছা বেগম শনিবার বার্ধক্য জনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে….রাজেউন)।
        মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। তিনি স্বামী, তিন ছেলে, দুই মেয়ে ও নাতী নাতনী রেখে গেছেন। শনিবার রাতে আটাকান্দা গ্রামের পারিবারিক কবরাস্থানে দাফন করা হয়েছে। তার মৃত্যুতে সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি খন্দকার মোঃ খুররম, নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ‘লীগ সভাপতি মোঃ আশরাফ হোসেন খোকা, প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর সভাপতি/ সম্পাদক মন্ডলী, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী, রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা শোক প্রকাশ করেছেন।

        Read more »

        শ্রীবরদীতে দুর্বৃত্তদের হামলায় অটো বাইক চালক আহত


        Sujonশ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি।
        শেরপুরের শ্রীবরদীতে দুর্বৃত্তদের হামলায় সুজন মিয়া (২৬) নামে এক অটো বাইক চালক গুরুতর আহত হয়েছে। আজ রাত ৯টার দিকে শহরের উত্তর বাজার মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সুজন মিয়াকে উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
        জানা যায়, শ্রীবরদী পৌর শহরের উত্তর বাজার মহল্লায় ইজিবাইক চালক ও পৌরসভার কমিশনার শাহআলমের ছোট ভাই সুজন মিয়াকে অজ্ঞাত কারণে তিনচার জন দুর্বৃত্ত হামলা করে। এতে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে

        Read more »

        শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৪

        কোম্পানীগঞ্জে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২, অস্ত্র উদ্ধার


        নিজস্ব প্রতিবেদক: 
        নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
        শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা জলদস্যু জাসু বাহিনীর সদস্য বলে দাবি করেছে র‌্যাব।
        নিহত ব্যক্তিরা হলেন জাবেদ (২৮) ও সুমন (২৫)।
        র‌্যাবের দাবি, জলদস্যু দমনে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছিল। অভিযানের একপর্যায়ে আজ (শনিবার) ভোর সাড়ে চারটার দিকে উত্তর উড়িরচর এলাকায় র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে জলদস্যুরা গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলি বন্ধ হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
        উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার উপজেলার পশ্চিম উড়িরচরে র‌্যাব এর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শাহাদাত হোসেন (৩৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। নিহত শাহাদাত জলদস্যু জাসু বাহিনীর প্রধান ‘জাসু ডাকাত’ বলেও দাবি করছে র‍্যাব।

          Read more »